করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন মোকাবেলায় সারাদেশে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করছে সরকার। মোট ১১ টি বিষয়র উপর এই বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। আগামী ১৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। সোমবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
বিধিনিষেধগুলোর মধ্যে রয়েছে, উন্মুক্ত স্থানে সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সভা সমাবেশ বন্ধ রাখতে হবে, হোটেল-রেস্তোরায় করোনার সনদ দেখাতে হবে, জনসম্মুখে সকলকে মাস্ক পরিধান করে চলাফেরা করতে হবে, গণপরিবহনে চালক-সহকারির টিকা সনদ থাকতে হবে, ১২ বছরের উর্ধে শিক্ষার্থীদের টিকার সনদ ছাড়া স্কুলে যেতে দেওয়া হবে না।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ও দেশে এ রোগের সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সার্বিক কাৰ্যাবলি/চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো।
দোকান, শপিংমল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেঁস্তোরাসহ সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শান্তির সম্মুখীন হতে হবে। অফিস-আদালতসহ ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।
Happy New!Have a wonderful New Year with all your loved ones!The nights will be dark but the days will be clear, I wish that your life is always bright – Happy New Year. Out with the old, in with the new: May you be happy all year round.
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকার দুই ডোজ নেওয়ার পর অনলাইনেই টিকা সনদ সংগ্রহ করা যাচ্ছে। ‘সুরক্ষা’ ওয়েবসাইট থেকে এ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।
১ম ধাপ
প্রথমে www.surokkha.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। এরপর মেনু থেকে ‘টিকা সনদ’ ট্যাবে ক্লিক করুন। নিচের অংশে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা দিয়ে ‘যাচাই করুন’ ট্যাবে ক্লিক করুন।
২য় ধাপ
এ পর্যায়ে আপনার নিবন্ধিত নাম্বারে এসএমএস এর মাধ্যমে ওটিপি (কোড) যাবে। তা নির্ধারিত বক্সে লিখুন এবং পাসপোর্ট নাম্বার বক্সে আপনার পাসপোর্টের নাম্বার (যদি থাকে) লিখে ‘সাবমিট করুন’ ট্যাবে ক্লিক করুন।
৩য় ধাপ
সব কাজ সঠিক ভাবে করার পর ‘টিকা সনদপত্র ডাউনলোড’ ট্যাবে ক্লিক করে টিকা সনদের পিডিএফ কপি ডাউনলোড করে সংগ্রহ করুন।
যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন -
১. পাসপোর্ট নাম্বার যুক্ত করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন। কারণ ভুল নাম্বার দিয়ে একবার সম্মতি দিয়ে ফেললে তা সংশোধনের উপায় নেই।
২. টিকার নেওয়ার পর অনেক সময় যদি টিকা সনদে সঠিক তথ্য না দেখা যায় তাহলে যে কেন্দ্র থেকে টিকা নিয়েছেন সেই কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
৩. টিকা নেওয়ার নিবন্ধন করার দীর্ঘদিন পরও এসএমএস না আসলে সুরক্ষা ওয়েবসাইট থেকে নিবন্ধন স্ট্যাটাস চেক করুন।
আশা করি আল্লাহ'র রহমতে সবাই ভালো আছেন। আজকে একটা বিষয় নিয়ে কিছুটা লিখত ইচ্ছা করলো,বিষয়টা হলো গ্রাহক সেবা নিয়ে,আমি দেখেছি অনেক সময় কোন একটা প্রতিষ্ঠান যখন অনেকটা সফলতায় পৌঁছে যায় তখন তাদের গ্রাহকসেবা পর্যায়ক্রমে খারাপ হতে থাকে। মানে যে গ্রাহকদের সেবা গ্রহনের কারণ তার প্রতিষ্ঠান সোজা হয়ে দাড়িঁয়েছে তাদের সাথেই অযুক্তি বাজে ব্যবহার করা আবার পাশাপাশি সেবা কিংবা পন্যের মূলও বাড়িয়ে দেওয়া।
আমি প্রচন্ড ঘৃনা করি ঐ সব ধরনের প্রতিষ্ঠাকে যারা এমন আচরণ করে
আমি সবসময়ই চেষ্টা করি আমার গ্রাহকদের সেরা সেবা ও পন্য সামগ্রি প্রদান করতে।
বর্তমান যুগ ইন্টারনেটের যুগ।এখন ঘরে বসে মানুষ বিশ্বের সব খবরাখবর রাখতে পারছে । বলা যায় পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয় ।ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অল্প সময়ে ব্যবসায় সফলতার জন্য আগে আমাদেরকে জানতে হবেDigital Marketing কি?অল্প কথায় Digital Marketing হল ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে ব্যবহার করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় পণ্য,প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনা বা বিজ্ঞাপন দেয়া। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে বিজ্ঞাপন দেয়ার হার বর্তমানে সবচেয়ে বেশি। এর কারণ বিশ্বে ৫৫.০৮ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে তার মধ্যে ৭৫ শতাংশ মানুষ নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। তাই Social Media ও Digital মাধ্যমগুলো কে কাজে লাগিয়ে ব্যবসার পথ আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে। আজকে আমরা এমন ৮ টি মাধ্যম সম্পর্কে আলোচনা করবে। যা ব্যবসার ক্ষেত্রে এনে দিতে পারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।
এক নজরে Digital Marketing এর সেরা ৮ টি মাধ্যম
Search engine optimization (SEO)
Search Engine Marketing (SEM)
Content marketing
Social Media Marketing(SMM)
Digital Display Marketing
Mobile Marketing
Email Marketing
Affiliate Marketing
Search engine optimization (SEO)
Search engine optimization বা (SEO) হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যে কোন ওয়েব সাইটের কিওয়ার্ডকে সার্চ ইঞ্জিনে র্যাংক করানো হয় । খুব সহজে যদি একটি উদাহরন দিয়ে বলিঃ আমরা সবাই কম বেশি google.com এ সার্চ করি আর গুগলে যখন কোন কিছু লিখে সার্চ করা হয় তখন গুগোল আমাদেরকে কিছু সার্চ রেজাল্ট দেখায় নিচের ছবিগুলোর মত ।
উপরের ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে “SEO কি” এইটা লিখে সার্চ করার পরে গুগুল আমাদেরকে কিছু সার্চ রেজাল্ট দেখিয়েছে । এখন আপনাকে যদি আমি জিজ্ঞাসা করি আপনি সবচেয়ে আগে কোন রেজাল্টে ক্লিক করবেন ? প্রায় নিশ্চিতভাবে বলা যায় আপনি সবচেয়ে উপরের রেজেল্টটাতে ক্লিক কবেন অধিকাংশ ইউজারদের মত । অর্থাৎ গুগুলএর টপ পজিশনে থাকার করণে প্রথন লিংকটাতে সবচেয়ে বেশি ক্লিক পরবে । আর গুগুল সহ প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিনের টপ পজিশনে আপনার Website যেকোন Keyword কে র্যাং করানোর প্রক্রিয়াই হল SEO । SEO করে টপ পজিশনে থাকা website এ সবচেয়ে বেশি ভিজিটর যাবে এটা আশা করি আপনি ইতিমধ্যেই বুঝে গেছেন । বাংলাদেশে SEO সার্ভিস প্রোভাইড করে এমন অনেক কোম্পানি রয়েছে যাদের সাথে তাল মিলিয়ে IMBD Agency এর SEO Service এই ইন্ড্রাস্ট্রিতে সফলতার সাথে বিচরন করছে ।
SEO সাধারণত তিন ধরণের হয়ে থাকে-
White hat SEO
Gray Hat SEO
black hat SEO
Search Engine marketing (SEM)
Search Engine marketing (SEM) হলো একটি ব্যাপক মার্কেটিং কৌশল যা প্রাথমিকভাবে আপনার ব্যবসায় ট্রাফিক ড্রাইভ করবে । যাকে আমরা Paid সার্চ মার্কেটিং বলে থাকি। আপনার ব্যবসার গঠনশৈলীর উপর ভিত্তি করে সাধারনত এ ধরনের মার্কেটিং করা হয়। এক্ষেত্রে PPC (পে-পার-ক্লিক করুন) অথবা CPC (ক্লিক পার ক্লিক ) মডেল ইত্যাদি মডেল নির্বাচন করা হয় । SEM সাধারনত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হয়ে থাকে। এর মধ্যে – Google Ads এবং বিং বিজ্ঞপ্তি (গুগল নেটওয়ার্কে), ইয়াহু বিং নেটওয়ার্ক বিজ্ঞপ্তি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। SEM বর্তমান Digital Marketing এর সব চেয়ে সাশ্রয়ী Onliine Marketing যা কিনা আপনার রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বাড়াতে সাহায্য করবে।
Content marketing
যে কোন বিষয় অথবা বস্তু সম্পর্কে একটি সাজানো কন্টেন্ট তার মান বাড়াতে সাহায্য করে। অনলাইনে আপনার কনটেন্ট, যেকোনপোস্ট কিংবা ফোরাম অথবা পণ্যের ডিসকাশনে যাতে আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডের উপস্থিতি থাকে যাতে খুব সহজে আপনার টার্গেটেড পাঠক বা ক্রেতা আপনার পণ্যকে খুঁজে পেতে পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তাই সময় পর পর মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট গুলোকে আপডেট করা উচিৎ। সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট পোস্ট করার ক্ষেত্রে অটোমেটিক প্রক্রিয়া ব্যবহার করা উচিৎ। আপনি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের জন্য আপনার বিষয়বস্তু কাস্টমাইজ করতে পারেন।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ইলেক্ট্রনিক পণ্যের জন্য বিষয়বস্ত সহজ এবং সংক্ষিপ্ত হতে হবে। মনে রাখবেন, একটি কার্যকর কৌশল আপনার পাঠক বা ক্রেতা তৈরি করবে এবং তারা আপনার কাছ থেকে আরো তথ্য জানতে আগ্রহী হবে। একটি ভাল কন্টেন্ট তৈরি করতে পারলে আপনার ব্যবসা ব্র্যান্ডিং জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় হবে। তাই Digital Marketing এ ভালো কন্টেন্টের প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত।
Social Media Marketing(SMM)
বিশ্বে মোট ইন্টানেট ব্যবহারকারীদের ৭৫% কোন না কোন সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে যুক্ত।এই বিশাল অংশের মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানোর জন্য Social Media Marketing(SMM) একটি কার্যকর পদ্ধতি। সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে আমরা ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, লিঙ্কডিন, পিন্টারেস্ট ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে মার্কেটিং করাকে বুঝি। বর্তমান বিশ্বে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মধ্যে ফেসবুক আর ইউটিউব অনেক অনেক বেশি কার্যকরী এবং ফলপ্রসূ।
সারা পৃথিবীতে অনেক গুলো সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং আছে। তার মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু দেশে নির্দিষ্ট কিছু সোশ্যাল মিডিয়া খুব বেশি জনপ্রিয়। যেমন- ইন্ডিয়া বাংলাদেশ পাকিস্তান এসব দেশে ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, হোয়াটস অ্যাপ, ইমো, ভাইবার এই সোশ্যাল মিডিয়াগুলো খুব বেশি জনপ্রিয়। আবার আমেরিকান কান্ট্রিগুলোতে পিন্টেরেস্ট ও রেদ্দিট অনেক বেশি জনপ্রিয়, রাশিয়াতে ভিকে, স্তাম্বলআপন ও টুইটার অনেক বেশি জনপ্রিয়। আমার ফেসবুক এর মাধ্যমে যে মার্কেটিং করি তা ফেসবুক মার্কেটিং এর অন্তগত। ঠিক একইভাবে ইউটিউবে আমরা যে ভিডিও শেয়ার করে বা পোস্ট করে যে মার্কেটিং করি তা ইউটিউব মার্কেটিং এর অন্তগত। আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর প্রোডাক্ট গুলো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া তে শেয়ার করার মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারেন ।সমগ্র পৃথিবী এখন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর উপর নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছে । আপনি একটু চিন্তা করলে বোঝতে পারবেন আপনি লাস্ট কবে ফেসবুক বা ইউটিউব ব্যবহার করেন নি। তাহলে খুব সহজেই বুঝতে পারবেন এটার গুরুত্ব কতখানি। তাই Digital Marketing এ সোশ্যাল মিডিয়াগুলোকে কাজে লাগিয়ে আমূল পরিবর্তন সম্ভব।
Digital Display Marketing
ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন গুলো তুলনামূলক কিছুটা ব্যয়বহুল । ওয়েবসাইট বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যনার , স্লাইড শো , ছবি বা ভিডিও আকারে বিজ্ঞাপন প্রদর্শণ করাকে ডিজিটাল ডিসপ্লে মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে। এসব বিজ্ঞাপন দিতে ব্যয় বেশি হলেও এগুলো গ্রাহক আকৃষ্ট করতে বেশি সাহায্য করে। বর্তমানে LED Display এর মাধ্যমেও অনেকে Digital marketing করছে। আধুনিক এই যুগে ক্রেতা আকৃষ্ট করার জন্য Digital marketing ই হতে পারে সবচেয়ে উত্তম মাধ্যম। তাই আমরা মনে করি প্রপার মার্কেটিং এ ব্যবসার ৭০% সফলতা নিহিত।
Mobile Marketing
জিএসএমএর হিসাবে বিশ্বজুড়ে মুঠোফোন সংযোগ সংখ্যা বর্তমানে ৪৯২ কোটি। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ বা ২৪৬ কোটি সংযোগ ব্যবহৃত হচ্ছে স্মার্টফোনের মাধ্যমে। এটি ২০২০ সালে বেড়ে ৬৬ শতাংশ হবে।বর্তমান বিশ্বে স্মার্ট ফোন ব্যবহারের হার খুব দ্রুত বাড়ছে।মোবাইল ব্যবহার করে আরো বেশি সফলভাবে আপনার যেকোন পণ্যের প্রচার ও বিক্রয় করতে পারেন দ্রুত সময়ে। Digital marketing এর বিশাল অংশ স্মার্টফোন কে কেন্দ্র করে হচ্ছে।
মোবাইল মার্কেটিং এ বিভিন্ন ক্ষেত্র রয়েছে । তার মধ্যে অন্যতম-
SMS Marketing
MMS Marketing
প্রতি ৩ মিনিটে মোট ফোন ব্যবহারকারীর ৯৭% টেক্সট মেসেজ ওপেন করে থাকে। প্রতি সেকেন্ডে ৫২০৮৩ টি টেক্সট মেসেজ আদান প্রদান হয়ে থাকে। ২৫% আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং মার্কেটং এক্সজিকিউটিভ তাদের প্রতিষ্ঠানের সমস্যাগুলো মোবাইলেরমাধ্যমে সমাধান করে থাকে। ৭০% মোবাইল ব্যবহারকারীরা তাদের কেনাকাটার জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে। এসবের ভিত্তিতে বলা যায় মোবাইল মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম মাধ্যম। মোবাইল প্রযুক্তি যত আপডেট হচ্ছে মানুষের চাহিদাও তত আধুনিক হচ্ছে ।তাই ব্যবসায়ীক প্রচারণাকেও আপডেট করতে হবে।আর এর জন্য Digital Marketing হতে পারে সবচেয়ে সঠিক ও যুগান্তকারী সমাধান। Bulk SMS Marketing এর সাথে অনেকেই কম বেশি পরিচিত । কারণ আমাদের সকলের ফোনেই কম বেশি বিভিন্ন রকম অফারের এসএমএস এসে থাকে যা অদিকাংশ ক্ষেত্রেই বিরক্তিকর প্রায় সবার কাছে । তবে সঠিকভাবে SMS Marketing করতে পারলে আপনি অবশ্যই লাভবান হতে পারবেন । কি ধরনের SMS পাঠাতে হবে এবং সেটা মাস্কিং নাকি নন মাস্কিং হবে তা সঠিকভাবে আগে থেকেই প্লান করে নিতে হবে । অন্যথায় অনেকের মত আপনার টাকাও জলে ঢালার মত অবস্থা হবে ।
Email Marketing
ইমেইল এর মাধ্যমে কোন পণ্য বা সার্ভিসের মার্কেটিং করাকে সাধারন ভাবে Email Marketing বলা হলেও এর ক্ষেত্র টি বিশাল। ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে একটি সাজানো আর্টিকেল বা কন্টেন্ট এর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে পণ্যের গুণাগুণ তুলে ধরে, তাকে ওই পন্য ক্রয়ে আগ্রহী করে তোলা। এর মাধ্যমে অল্প সময়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাওয়া যায়। স্মার্ট ইমেইল প্রেরণের মাধ্যমে ব্যবসায় লাভবান হওয়া সম্ভব।
Email Marketing সাধারণত তিনটি ধাপে করা যেতে পারে-
Email Template
Email Collection
Email Delivery
Email Template
প্রথমে Email Marketing এর জন্য ইমেইল টেম্পলেট বানাতে হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে, আপনার ইমেইলে যে পণ্যটি সম্পর্কে লিখবেন সেটি দেখতে কেমন হবে। তার উপর ভিত্তি করে সুন্দর শব্দ চয়নের মাধ্যমে ভালো আর্টিকেল বা কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে যা পড়ে গ্রাহক যেন পণ্যের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে। আর এতে সাহায্য করতে একটি সন্দর রেসপন্সিভ ইমেইল টেমপ্লেট।
Email Collection
Email Marketing এর অন্যতম একটি কাজ হলো প্রচুর পরিমাণ ইমেইল কালেক্ট করা। কারণ এই ইমেইল এড্রেসগুলোতেই আপনি পণ্য বা ব্যবসা সম্পর্কে আপনার বক্তব্য গ্রাহকের কাছে পাঠাবেন এবং ক্রয় করার জন্য উৎসাহিত করবেন। যত বেশি ইমেইল সংগ্রহ করা যাবে বিক্রির সম্ভাবনা তত বেশি বেড়ে যাবে । তবে সঠিক অডিয়েন্সের কাছে আপনার ইমেইল টি পাঠাতে হবে।
Email Delivery
ইমেইল মার্কেটিং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ইমেইল ডেলিভারী করা। ইমেইলগুলো ডেলিভারী করার জন্য SMTP (simple mail transfer protocol) সার্ভার প্রয়োজন হয় । সাধারন ভাবে আমরা মেইল পাঠানো জন্য যে সাইটগুলো ব্যবহার করি যেমন Verizon, Comcast, AOL, Gmail, Yahoo, GoDaddy, Earthlink ইত্যাদি। এই সাইটগুলো আপনাকে বেশি পরিমাণ মেইল একদিনে পাঠাতে দিবে না। অথচ আপনাকে হয়তো প্রতিদিন হাজার হাজার মেইল বা লক্ষ মেইলও পাঠাতে হতে পারে । তাই নিজে SMTP সার্ভার কিনে সেটআপ করে যত ইচ্ছা পাঠাতে পারবেন। একজন সফল ও ভালো মানের ইমেইলে মার্কেটার হতে হলে অবশ্যই আপনার একটি ভালো মানের SMTP সার্ভার প্রয়োজন হবে।
প্রপার Email Marketing হতে পারে কম খরচে ব্যপক Digital Marketing এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
Affiliate Marketing
Affiliate Marketing কে সাধারণ ভাবে বলা যায় অন্যের প্রডাক্ট মার্কেটিং করা । অন্যর পণ্য বিক্রি করে যে কমিশন পাওয়া যায় সে কমিশনকে অ্যাফিলিয়েট কমিশান বলে। যেমন আমার দোকানের মাল আপনি প্রচার প্রচারনা করে বিক্রি করলেন। তার বিনিময়ে আপনাকে কিছু কমিশান দিলাম । সারা বিশ্বে হাজার হাজার কোম্পানি অ্যাফিলিয়েট অপশন রাখার ফলে তাদের প্রচুর প্রোডাক্ট বিক্রি হয় এবং হাজার হাজার মার্কেটার এই প্রডাক্ট বিক্রি করে কমিশন নিচ্ছে । Amazon, Alibaba Themeforest, ebey, সহ প্রায় সব বড় বড় কম্পানি অ্যাফিলিয়েট কমিশান দিয়ে থাকে। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে Amazon affiliate. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিভিন্ন ভাবে করা যায়।
এই সব ছাড়াও Digital Marketing এর ক্ষেত্র আরো ব্যপক ও বিশাল। Digital World এর Digital সব প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্ব প্রতিনিয়িত এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রতিটি মাধ্যমে সফলতার জন্য প্রয়োজন সঠিক নিয়ম মেনে কাজ করা। Digital Marketing এর প্রতিটি সেক্টরের জন্য রয়েছে ভীন্ন ভীন্ন কৌশল। এসবের ভিত্তিতে আমাদের imedদিচ্ছে প্রপার ডিজিটাল মার্কেটিং এর নিশ্চয়তা।
👉যে কোন ধরনের অনলাইন সেবা সম্পর্কে জানতে, আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা আপনাকে সাহায্য করতে শতভাগ চেষ্ঠা করবো।
দেশের মানুষকে অ্যাপের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে করোনার টিকাদান কর্মোদ্যোগের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানানো হয়। সেখানে অনলাইন নিবন্ধন করার জন্য তৈরি করা অ্যাপ কীভাবে ব্যবহার করতে হবে, তা দেখানো হয়।
অ্যাপ ব্যবহার করে নিবন্ধন শেষ হলে একটি কার্ড ইস্যু হবে নিবন্ধনকারীর নামে। এই কার্ড সুবিধামতো জায়গা থেকে নিবন্ধনকারী প্রিন্ট করতে পারবেন। টিকা গ্রহণের দিন ওই কার্ড কেন্দ্রে আনতে হবে। আর কোন দিন টিকা নিতে হবে, তা মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
তবে অনলাইনে নিবন্ধনের বিকল্প হিসেবে অগ্রাধিকার পাওয়া মানুষের তালিকা তৈরি করতে উপজেলা, জেলা ও সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
যেভাবে নিবন্ধন
করোনার টিকা নিতে আগ্রহীদের নিবন্ধন করতে হবে ‘সুরক্ষা’ নামক ওয়েব পোর্টালে (www.surokkha.gov.bd)। অ্যান্ড্রয়েড বা অ্যাপল প্লে স্টোর থেকেও সুরক্ষা মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করেও করা যাবে নিবন্ধন।
সেখানে গিয়ে ‘নিবন্ধন’ বাটনে ক্লিক করে প্রথমে ধরন নির্বাচন করতে হবে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর, জন্মতারিখ (এনআইডি অনুযায়ী) দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে নিবন্ধন করা যাবে না। ১৮ বছরের কম বয়সীরাও নিবন্ধন করতে পারবে না।
তথ্যগুলো ঠিকমতো দিলে বাংলায় ও ইংরেজিতে নাম দেখাবে। এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি রোগ বা কো-মরবিডিটি থাকলে সেটা বলতে হবে। টিকা গ্রহণকারীর পেশা এবং কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট কোনো কাজের সঙ্গে তিনি জড়িত কি না, সেটি বলতে হবে।
সবশেষে টিকা গ্রহণকারীর বর্তমান ঠিকানা ও কোন কেন্দ্রে টিকা নিতে ইচ্ছুক, সেটি দিলে নিবন্ধন সম্পন্ন হবে।
টিকাকেন্দ্রে টিকা নেওয়া প্রথমে টিকা কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল বা অ্যাপের ‘টিকা কার্ড সংগ্রহ’ বাটনে ক্লিক করে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্মতারিখ দিয়ে ‘যাচাই করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিবন্ধনের সময় দেওয়া মুঠোফোনের নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ওটিপি (ওভার দ্য ফোন) কোড দিয়ে ‘ভ্যাকসিন কার্ড ডাউনলোড’ বাটনে ক্লিক করলে টিকা কার্ড ডাউনলোড হবে।
এসএমএসের মাধ্যমে পাওয়া টিকা গ্রহণের তারিখে নির্দিষ্ট টিকাকেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত হয়ে টিকা নেওয়া যাবে। এ সময় টিকা কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। কোভিড-১৯ টিকার দুটি ডোজ নেওয়ার পর সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল থেকে টিকা সনদ সংগ্রহ করা যাবে।
সরকারের পরিকল্পনা
আগামী ছয় মাসে তিন কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। প্রতি মাসে ২৫ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। জনপ্রতি দুটি করে মাসে ৫০ লাখ ডোজ টিকার প্রয়োজন হবে।
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা এরই মধ্যে দেশে এসেছে। ২১ জানুয়ারি ভারত ২০ লাখ ডোজ টিকা উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে। আর ২৫ জানুয়ারি সোমবার, ভারত থেকে কেনা ৫০ লাখ ডোজ দেশে এসেছে।
২৭ জানুয়ারি থেকে টিকা দেওয়া শুরু হবে। ওই দিন বেলা সাড়ে তিনটায় টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সভা শেষে প্রথম আলোকে এ কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, প্রথম দিন মোট ২০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে অনুষ্ঠানটি বিটিভি সরাসরি প্রচার করবে।
এখানে করোনার টিকা নিতে আগ্রহীদের অনলাইন নিবন্ধন করা হয়।
👉যে কোন ধরনের অনলাইন সেবা সম্পর্কে জানতে, আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা আপনাকে সাহায্য করতে শতভাগ চেষ্ঠা করবো।